Posts

সংস্কৃত কি কি বই পড়ব ও কেন পড়ব

  नमस्कारम्।। সংস্কৃত ব‍্যকরণ শিক্ষাকে যিনি একাগ্রতার সঙ্গে গ্রহণ করতে চান তাকে -"সিড়ি বেয়ে ছাদে ওঠার ন‍্যায়,ধাপে ধাপে এগুতে হবে।" তো আমরা এখন জেনে নিব কোন বইগুলোকে আমরা আমাদের অধ‍্যাবসায়ের সঙ্গে যুক্ত করব এবং কোনধাপে কোন বইগুলো উপযোগী: 📌প্রাথমিক শিক্ষা: এর জন‍্য আমরা  ব‍্যাকরণ কণিকা (স্বামী অমলানন্দ)  এবং এর সঙ্গে  বোর্ড কর্তৃক যে সংস্কৃত পাঠ‍্যবই  সমূহ আছে তা অবলম্বন করতে পারি। কেননা বর্ণ পরিচয় তথা শব্দরূপ,ধাতুরূপ আমাদের সংস্কৃতের মূলভাগ এবং এর সম্পর্কে সম‍্যকজ্ঞান ও এর প্রয়োগ এই বই এর দ্বারা খুব সহজেই আয়ত্ব করা সম্ভব। আর আয়ত্ব করা যথাযথ হল কিনা তা বিচার করতে বা চর্চা করতে সংস্কৃত পাঠ‍্যবই সমূহ দিয়ে যাচাই সম্ভব। 📌মাধ‍্যমিক শিক্ষা : এই পর্যায়ে  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ‍্যাসাগরের ব‍্যাকরণ কৌমুদি  ও  Help Study of Sanskrit  খুবই উপযোগি কারণ ধাতুরূপের ও শব্দ রূপের যথাযথ প্রয়োগ প্রকারভেদ এবং কারক বিভক্তি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার অন‍্যতম পর্যায়। ল্ কার সমুহের ও বিভক্তির যথাযথ প্রয়োগ এই বই দ্বারা জানা ও বোঝা খুব সুফলপ্রদ। প্রাথমিক পর্যায় সমূহ ও এই বই থ...

কাছের রবি

 কাছের রবি, কাছের রবি লিখিলাম বলিয়া যে তুমি দূরে আছিলে এমন নহে কিন্তু। তুমি  কবি,তুমি গীতিকার  তুমি দার্শনিক তুমি রসিকও বটে। তুমি যে সাধক  তা আমি মরমে মরমে অনুভব করিয়া অশ্রু বিসর্জন করি। চাঁদের সঙ্গে  আমার সখ‍্যতা মধুর করিয়া তোলে ঐ তোমার সাধনার জগতের যত কথা। তুমি পূর্ব গগনের রবি এও বলিতে আমার বাধিবে না,কেননা কত হৃদয়কে বিকাশিত করিয়াছো তাহা তোমার হদিশেও নাই। তুমি "মধুকর " ,- কেন! তাহা জানিলে তুমি  হাসিতে আরম্ভ করিবে, আর বলিবে আহা একটু বেশি বেশি বলিতেছ না!! তবে বলিয়াই ফেলি মধুকর মহাশয়,- নানা ফুলে অলি ঘুরিয়া ফিরিয়ে  ঐ ফুলদিগের  গর্ভাশয়ে বহু যতনে সঞ্চয়কৃত মধু কেমন অবলীলায় গ্রহণ করিয়া লয়,তোমার কার্য তাহা হইতে কম কিসে? জানিয়া পুলকিত হইবে,তোমার ভানুসিংহ নামের  স্ত্রীলিঙ্গে আপনাকে ভূষিত করিয়াছি আমি ; কেহ এই নামে অলঙ্কৃত করিবে তাহার প্রতিক্ষা কিঞ্চিত করি নাই। শরীর বিশেষ ভালো নাই,তাই আর কথা অধিক করিব না। কাছে আছো কাছের রবি হৃদয় মম তত ছবি। পুলকিত মম হৃদয় খানি তব লাগি প্রেম তব চরণে দানি।                  তোমারই...

আপন অনুভূতি

 শ্রাবণীর মলয় স্মৃতি  না, এ কোন প্রেমরসাত্মক লেখনীর হেডিং নয়; এ হচ্ছে  একটা  মেয়ের অতীতের কিছু অনুভূতির  প্রকাশমাত্র। সকলেই যে উৎসুক হয়ে পড়বে - কি লিখলাম! তা কিন্তু হবার নয়, আর এমন কোন কালেও হয় নাই ও হবেও না। লোডশেডিং হয়েছে -তা এতক্ষণে জেঠাতো দাদা (মানিক দাদা) এর সঙ্গে গল্প হল। দাদার সম্পর্কে  একটাই কথা মানিক দাদা সত‍্যিকারের মানিক। যাক তারপর ঘরে এসেছি এবং বিছানা করলাম। জানালার  একটা কপাট ভাঙা খুলতে শব্দ হয়েছে 😐 মা বলে উঠল - জালনা খুলিস নে, জালনা দিয়ে ফোন চুরি হয়ে যাবে😂। কিন্তু এই ফোন  আমার কাছ ছাড়া বুঝি সেই মানে মা বেশি স্বস্তি পায়। জানালা খুলতেই সেই ছোট্ট বেলায় যেমন শ্রাবণ মাসের শীতল বাতাস লাগত ওমন একটা বাতাস এসে গায়ে লাগল। ছোট্ট সময় লোডশেডিং হলে মাদুর পেতে সকলে উঠোনে খোস গল্প হত। আমি শুয়ে থাকতাম বাবার কাছে  আর গল্প শোনার বায়না করতাম। দমকা  শ্রাবণী মলয়ে যেন সব স্মৃতিকে একযোগে নিয়ে এসে হাজির হল। একটু মন খারাপ হয়ে গেল সব ভেবে। বাতাসের অনুভূতিটা বেশ লাগছিল। বিদ‍্যুৎ এসে আবার সব মিলিয় দিয়ে চলে গেল। আর আমি ব‍্যস্ত হয়ে গেলাম ফোন নিয়ে লেখার...

সংসার অনিত‍্য

 ভ্রমনও নিকর যেমন মধুপান তরে বনের প্রতি পুষ্প অন্বেষণ করে চিত্ত মম মোর হয়েছে  ঐ রূপ সংসার পুষ্পেরর মধু অন্বেষণ করি কিরূপ? মন ও চিত্ত এথায় মম দুই পাখা যাদের তরে উড়িয়া এ জগত দেখা কি কখন ভাব এদের হয় কি জানি সংসার তখনই প্রতিভাত হয়  ঐ রূপ আনি। এপুষ্পে ও পুষ্পে নাচি ক্লান্ত হল পায়দ্বয় বিবেক বলিল থামো এসব এ মিছে ভ্রমণ  আর নয়। ✍অনিতা বৈরাগী

ঈশাপোনিষদের ধারনা

  #নমস্কারম্ 🙏 _উপনিষদ দ্বিতীয় পর্ব_ "যে ভাবে পরম- এক আনন্দে উৎসুক আপনারে দুই করি লভিছেন সুখ, দুয়ের মিলন- ঘাতে বিচিত্র বেদনা নিত্য বর্ণ,গন্ধ,গীত করিছে রচনা।" রবির এই লেখনীর একমাত্র উৎস হচ্ছে " উপনিষদ" এর উলব্ধিত জ্ঞানরাশি😊 আমাদিগের আজিকের জ্ঞাতব্য হইতেছে - "ঈশ উপনিষদ " এহার প্রত্যকেটি শ্লোক প্রত্যহ একখানা করিয়া, বর্ণনা করা হইবে।😊 আজিক কেবলি "ঈশ উপনিষদ " লইয়া কৃদংশ বলিবার প্রয়াস করিব।🙏 "ঈশ উপনিষদ" এর প্রথম শব্দখানি ঈশ দিয়া আরম্ভ হইয়াছে,সেইহেতু ইহাকে ঈশোপনিষদ বলে।🌺🌺 ঈশোপনিষদ শুক্লযজুর্বেদীয় বাজসনেয়ী সংহিতার শেষ অধ্যায় বলে ইহাকেও বাজসনেয়ী সংহিতোপনিষদ নামেও আখ্যাত। ঈশোপনিষদ ভাবগৌরবে সর্বোৎকৃষ্ট উপনিষদগুলির অন্যতম।মাত্র অষ্টাদশ মন্ত্রে জ্ঞানের মূলতত্ত্বের অবতারনা এবং আপাতবিরুদ্ধ বিষয়সমূহের (যথা-এক ও বহু,জ্ঞান ও কর্ম,বিদ্যা ও অবিদ্যা প্রভৃতি) সমন্বয় সাধন হইয়াছে। ১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দে স্যার উইলিয়াম জোনস্ প্রথম ঈশোপনিষদের ইংরেজি  অনুবাদ করেন।। প্রত্যক মন্ত্রে আত্মার নিজ্ সত্ত্বার দিশায় ধাবিত হইবার মার্গ দর্শন করাইবার একমাত্র উদ...

উপনিষদের মৌলিক তথ‍্য

  ওঁ _উপনিষদ_ প্রথম_ পর্ব #নমস্কার নিজ সম্মন্ধে একখানি কথাই বলিব,আমি যে নিত্য উপনিষদ প্রচার করিবার ইচ্ছে প্রকাশ করিয়াছি তাহা আমার স্পর্ধা ব্যতিত কিছুই নহে। কারন ইহা যুগে যুগে আপন প্রয়োজনে নিজের প্রকাশী গতি অব্যহত রাখিয়াছে।😊 " উপনিষদ " শব্দটি বহুল প্রচলিত এই বর্তমান অত্যাধুনিক কৃত্রিম "মুখশ্রীপূস্তক😋 " ভূনবে। ইহাতে বহু গোল দেখিলাম। কেহ বলে ইহা বেদাংশ,কেহ বলিয়া থাকে বেদের বাহির। "যাহার যাহার পতিদেব তাহার নিকট পদ্মলোচনহ্ ",তাৎপর্য ইহা যে সবাই যাহার যাহার অবস্থানে সুসঠিক। আমরা জানি,আমাদিগের প্রধান ধর্মগ্রন্থ বেদ🙏। অনেকে ইহা আবার জ্ঞাতও নহি। 😔 আমাদিগের প্রধান ধর্মগ্রন্থের চারিখণ্ড ও দূটি কাণ্ড। কর্মকাণ্ড ও জ্ঞানকাণ্ড। কর্মকাণ্ডে ও জ্ঞানকাণ্ডে বেদমাতার চারিখণ্ড বিদ্যমান।🙏 বিষদ বর্ণনা নহে, উপনিষদ লইয়া কেবলি কিছু কথা। বেদের চারিখণ্ডের যাহা জ্ঞানকণ্ডে আলোচিত হইয়াছে তাহার সম্মিলিত রূপখানি "উপনিষদ "। "উপনিষদ" অর্থ নানা রূপ:- দার্শনিক ডয়সেন বলেন- তাহল রহস্য গত জ্ঞান। ম্যাক্সমুলার বলেন-গুরুর নিকট  উপধিত এই বিদ্যা অর্জন করিতে হয় বলিয়া এরূপ...

উপনিষদের কাব‍্য - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা

 একদা এ ভারতের কোন্ বনতলে কে তুমি মহান প্রাণ,কী আনন্দবলে উচ্চারি উঠিলে উচ্চে,'শোনো বিশ্বজন, শোনো অমৃতের পুত্র যত দেবগণ দিব্যধামবাসী,আমি জেনেছি তাঁহারে, মহান্ত পুরুষ যিনি আঁধারের পারে জ্যোতির্ময়।তাঁরে জেনে,তাঁর পানে চাহি মৃত্যুরে লঙ্ঘিতে পার,অন্য পথ নাহি'।