উপনিষদের মৌলিক তথ‍্য

 

ওঁ

_উপনিষদ_ প্রথম_ পর্ব

#নমস্কার

নিজ সম্মন্ধে একখানি কথাই বলিব,আমি যে নিত্য উপনিষদ প্রচার করিবার ইচ্ছে প্রকাশ করিয়াছি তাহা আমার স্পর্ধা ব্যতিত কিছুই নহে। কারন ইহা যুগে যুগে আপন প্রয়োজনে নিজের প্রকাশী গতি অব্যহত রাখিয়াছে।😊

" উপনিষদ " শব্দটি বহুল প্রচলিত এই বর্তমান অত্যাধুনিক কৃত্রিম "মুখশ্রীপূস্তক😋 " ভূনবে। ইহাতে বহু গোল দেখিলাম। কেহ বলে ইহা বেদাংশ,কেহ বলিয়া থাকে বেদের বাহির। "যাহার যাহার পতিদেব তাহার নিকট পদ্মলোচনহ্ ",তাৎপর্য ইহা যে সবাই যাহার যাহার অবস্থানে সুসঠিক। আমরা জানি,আমাদিগের প্রধান ধর্মগ্রন্থ বেদ🙏। অনেকে ইহা আবার জ্ঞাতও নহি। 😔

আমাদিগের প্রধান ধর্মগ্রন্থের চারিখণ্ড ও দূটি কাণ্ড। কর্মকাণ্ড ও জ্ঞানকাণ্ড। কর্মকাণ্ডে ও জ্ঞানকাণ্ডে বেদমাতার চারিখণ্ড বিদ্যমান।🙏 বিষদ বর্ণনা নহে, উপনিষদ লইয়া কেবলি কিছু কথা। বেদের চারিখণ্ডের যাহা জ্ঞানকণ্ডে আলোচিত হইয়াছে তাহার সম্মিলিত রূপখানি "উপনিষদ "।

"উপনিষদ" অর্থ নানা রূপ:- দার্শনিক ডয়সেন বলেন- তাহল রহস্য গত জ্ঞান। ম্যাক্সমুলার বলেন-গুরুর নিকট  উপধিত এই বিদ্যা অর্জন করিতে হয় বলিয়া এরূপ নাম।

" উপনিষদের নানা খণ্ড আছে। যদিও ইহা প্রবর্তিত ও বিকৃত হইয়া ত্রিদশ উর্ধ্বে চলিয়া গিয়াছে। আমাদিগের ইতিহাস দেখিলে বোঝা যায় দ্বাদশ খানি ইহার প্রধান। একাদশ বলিলেও চলে। কারণ একখানি হইতে দুইখানির বিভাজন। "

"উপনিষদের অপর নাম বেদান্ত। ইহা বেদের অন্ত ভাগ।যাহা এই জাগতিক ভোগ্যবস্তুর কামনার জন্য নহে। ইহা আত্মজ্ঞানে মূখ্য পাথেয়। এই  জ্ঞানব্যতীত কেহ বুঝিতে ব্যর্থ যে সর্বত্র সেই পরম সত্ত্বার বসবাস।

আমার ভাষাবোধ নেই বলিলেই চলে ও শাস্ত্রজ্ঞানেও অবস্থান একই। কাজেই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখিবেন🙏

ইতিহাস অনেক বর্নণীয় বিদ্যমান। কি লাভ ঝড়া পাতায় লক্ষ্য রাখিয়া।দৃষ্টি মূলে নিবদ্ধ করিবার প্রচেষ্টাই উত্তম💖

পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকুন😊🙏

✍ - অনিতা বৈরাগী

Comments

Post a Comment