ঈশাপোনিষদের ধারনা
#নমস্কারম্ 🙏
_উপনিষদ দ্বিতীয় পর্ব_
"যে ভাবে পরম- এক আনন্দে উৎসুক
আপনারে দুই করি লভিছেন সুখ,
দুয়ের মিলন- ঘাতে বিচিত্র বেদনা
নিত্য বর্ণ,গন্ধ,গীত করিছে রচনা।"
রবির এই লেখনীর একমাত্র উৎস হচ্ছে " উপনিষদ" এর উলব্ধিত জ্ঞানরাশি😊
আমাদিগের আজিকের জ্ঞাতব্য হইতেছে - "ঈশ উপনিষদ "
এহার প্রত্যকেটি শ্লোক প্রত্যহ একখানা করিয়া, বর্ণনা করা হইবে।😊
আজিক কেবলি "ঈশ উপনিষদ " লইয়া কৃদংশ বলিবার প্রয়াস করিব।🙏
"ঈশ উপনিষদ" এর প্রথম শব্দখানি ঈশ দিয়া আরম্ভ হইয়াছে,সেইহেতু ইহাকে ঈশোপনিষদ বলে।🌺🌺
ঈশোপনিষদ শুক্লযজুর্বেদীয় বাজসনেয়ী সংহিতার শেষ অধ্যায় বলে ইহাকেও বাজসনেয়ী সংহিতোপনিষদ নামেও আখ্যাত।
ঈশোপনিষদ ভাবগৌরবে সর্বোৎকৃষ্ট উপনিষদগুলির অন্যতম।মাত্র অষ্টাদশ মন্ত্রে জ্ঞানের মূলতত্ত্বের অবতারনা এবং আপাতবিরুদ্ধ বিষয়সমূহের (যথা-এক ও বহু,জ্ঞান ও কর্ম,বিদ্যা ও অবিদ্যা প্রভৃতি) সমন্বয় সাধন হইয়াছে।
১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দে স্যার উইলিয়াম জোনস্ প্রথম ঈশোপনিষদের ইংরেজি অনুবাদ করেন।।
প্রত্যক মন্ত্রে আত্মার নিজ্ সত্ত্বার দিশায় ধাবিত হইবার মার্গ দর্শন করাইবার একমাত্র উদ্দেশ্যে স্রষ্টা তাঁহার অমৃত বর্ষন করিয়াছেন।
বর্ণনা শেষ হইবার নহে। তদ্দপি যবনিকা টানিতে হইবে।
আপনাদিগের একান্ত মনধারা শান্ত হইবে,কারন অমৃতধারা সবাদিগের কাম্য।
"সর্বন্তু মঙ্গলম্ অমৃতম্ বর্ষিনিম্🙏"
পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকুন😊
শুভ প্রনাম🙏
তথ্য সংগ্রহ - না না প্রকাশনীর উপনিষদ ও আত্ম মনন
✍ - অনিতা বৈরাগী
Comments
Post a Comment